বৃহস্পতিবার, ০৩ এপ্রিল ২০২৫, ০২:০৫ অপরাহ্ন
মোঃ জাহাঙ্গীর আলম, কোটচাঁদপুর সংবাদদাতা ঝিনাইদহ:
ঝিনাইদহের কোটচাঁদপুরে নারী নির্যাতন মামলার বাদীর পিতার স্বাক্ষর জাল করে মামলা খারিজের অভিযোগ উঠেছে লম্পট ভন্ড কবিরাজ ও আওয়ামীলীগ নেতাদের বিরুদ্ধে।
জানা গেছে উপজেলার বলুহর ইউনিয়নের ফুলবাড়ী গ্রামের আনোয়ার হোসেনের মেয়ে সুরাইয়া খাতুনকে ২০২২ সালের ফেব্রুয়ারী মাসের ২৮তারিখে সন্ধ্যা ৭ টার সময় ধর্ষন চেষ্টা করায় নিজে বাদী হয়ে ঠাকুরগাঁ জেলার সদরের একটিয়াবাড়ী গ্রামের আব্দুল বারেকের ছেলে এহসানের বিরুদ্ধে নারী নির্যাতনের মামলা দায়ের করে ঝিনাইদহ নারী ও শিশু আদালতে।
মামলাটি চলমান থাকা কালীন আওয়ামী ফ্যাসিস্ট সরকারের বলুহর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান নজরুল ইসলাম নজু, ইউপি সদস্য বিপ্লব ও সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান আব্দুল মতিন ক্ষমতা বলে বাদীর পিতা আনোয়ার হোসেনের স্বাক্ষর জাল করে মিথ্যা আপোষনামা তৈরি করে আদালতে পেশ করলে মহামান্য আদালত মামলাটি খারিজ করে দেন।
বাদীর পিতা আনোয়ার হোসেন ২০২৪ সালের ৩০ নভেম্বর প্রকৃত ঘটনা উল্লেখ করে একটি পিটিশন মোকদ্দমা করেন। আপোষ নামায় স্বাক্ষরের বিষয় স্বাক্ষী নুর আমীন, শরীফ, সেলিম জানান, তারা সেখানে উপস্থিত ছিলেন না এবং আপোষ নামায় স্বাক্ষর করেন নাই।
জানা গেছে মামলার আসামী এহসান জ্বীনের বাদশা হাজির করে চিকিৎসা দেওয়ার অভিযোগ রয়েছে। সে মানুষকে ভয় ভীতি প্রদর্শন করে। সে কুশনা ইউনিয়নের মোহনপুর গ্রামে অনেক মানুষের সাথে প্রতারণা করে ও নারীদের সাথে অবৈধ সম্পর্ক স্থাপন করে, এরপর ফুলবাড়ী গ্রামে বিয়ে করে এবং এখানেও অনেক মানুষের সাথে প্রতারণা করে। এরপর মহেশপুর উপজেলার আজমপুর ইউনিয়নের কুলবাগান গ্রামে মাদ্রাসা প্রতিষ্ঠা করে অনেক মানুষের সাথে প্রতারণা করে নারীদের সাথে অশোভন আচরণ করে ও অবৈধ সম্পর্ক স্থাপন করে। এ বিষয় গুলো ডা. সাইফুদ্দিন, সেলিম ও রোকনুজ্জামান প্রতিবেদককে জানান। এছাড়াও এহসান শফিউল্লাহর বাসা থেকে প্রায় ৫২০০০/ (বায়ান্ন হাজার) টাকা মূল্যের আসবাবপত্র চুরি করে নিয়ে যায়। বর্তমান সে পারলাট আহসানুল্লাহ হাফিজিয়া মাদ্রাসা প্রতিষ্ঠা করেছে।
এব্যাপারে এহসানের সাথে মুঠোফোনে যোগাযোগ করার চেষ্টা করা হলে নাম্বারটি বন্ধ পাওয়া যায়।